তাবলীগ জামাতের সদস্যদের গুলি করে মারা উচিত : রাজ ঠাকরে

ওরা যদি মনে করে দেশের থেকে ধর্ম বড়, তাহলে ওদের গুলি করে মারা উচিত। তাবলীগ জামাতের সদস্যদের উদ্দেশ্যে এমনই মন্তব্য করলেন ভারতের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার প্রধান রাজ ঠাকরে। দিল্লির নিজামুদ্দিনের জমায়েতকারীদের সরকার কেন চিকিৎসা দিচ্ছে সেটা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাজ।

করোনা পরিস্থিতির মাঝেই রক্তচাপ বাড়িয়েছে দিল্লির ধর্মীয় সমাবেশ। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশে মোট করোনা আক্রান্তের ৩০ শতাংশ জনসংখ্যা তাবলীগ জামাতের ধর্মীয় সমাবেশে হাজির ছিল। ১৭ রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছেন এই আক্রান্তরা।

কোয়ারেন্টিনে থাকা ২২ হাজার মানুষের সঙ্গে নিজামুদ্দিনের সমাবেশে যোগ মিলেছে। হয় তারা অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন অথবা যোগদানকারীদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
তাবলীগ জামাতের সমাবেশে যোগ দেওয়ার প্রায় ১০২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনা দেশে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা যে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। শুধু তাই নয়, কোয়ারেন্টিন করা হলে নার্সদের সঙ্গেও অভব্য আচরণ করছেন তারা।

নার্সদের সঙ্গে অসভ্যতার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন রাজ ঠাকরে। তিনি বলেন, এই ধরনের মানুষকে প্রকাশ্যে গুলি করে মারা উচিত। এদের কেন চিকিৎসা করা হচ্ছে? এদের জন্য আলাদা করে একটা বিভাগ তৈরি করে রেখে দিন। চিকিৎসা দেওয়ার দরকার নেই।

এমএনএস এর প্রধান আরো বলছেন, নার্সদের সঙ্গে অসভ্যতা করে ওরা ভাবছে ওদের ধর্ম দেশের থেকে বড়। এদের প্রকাশ্যে গুলি করে সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়া উচিত। তাতে সরকারের ওপর দেশের মানুষের আস্থা আসবে। যারা পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে, তাদেরও কঠোর শাস্তির দাবি করছেন রাজ ঠাকরে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাতি জ্বালানোর পরামর্শকে কটাক্ষ করেন এমএনএস প্রধান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি বাতি জ্বালাতে না বলে করোনা রুখতে কার্যকরী পদক্ষেপের কথা বলেন, তাহলে সেটা কাজে আসে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন