একজন রেমিটেন্স যো’দ্ধা মা’রা গেলে তার লা’শ পাঠাতে চাঁদা তুলতে হয়

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি এখন প্রবাস জীবনযাপন করেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, একজন বাংলাদেশি রেমিটেন্স যো’দ্ধা প্রবাসে মারা গেলে তার লা’শ পাঠাতে চাঁদা তুলতে হয়।

অথচ দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করি আমরা প্রবাসীরা। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ; আমরা প্রবাসীরা জীবিকার প্রয়োজনে দূর প্রবাসে আছি। পরিবারে স্বচ্ছলতা আনার জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমাদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতিকে করছে সমৃদ্ধ।

প্রবাসীদের কল্যাণে কোনো আইন নেই, নেই কোনো কর্তৃপক্ষ। যা আছে তা মুখেমুখে। প্রবাসীদের মালামাল ব্যাগ কেটে রেখে দেয় কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এমন অনেক ধরনের হয়রানি করে আমাদের। কেন আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ।

আমাদের পাশের দেশ ভারত বা শ্রীলংকান প্রবাসীরা যে মর্যাদা পান, আমরা কিন্তু তা পাই না। কিন্তু নানা রকমের হয়রানির শিকার হই আমরা। প্রবাসে আসার সময় পাসপোর্ট করা থেকে শুরু করে বিমানবন্দর, দূতাবাসসহ সবখানেই হয়রানির শিকার হই। আবার আমরা ছুটিতে যখন দেশে যাই তখনও অনেক ধরনের হয়রানির শিকার হই।

এমনকি প্রবাসীদের ভোটাধিকারও এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। আমরা রাষ্ট্রকে যে পরিমাণ দিচ্ছি, সেই তুলনায় রাষ্ট্রের কাছ থেকে আমরা কিছুই পাই না। আমরা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা অবহেলিত।