মিটছে না চাহিদা, স্ত্রীর গোপনাঙ্গে মদের বোতল ঢুকিয়ে দিলেন স্বামী

স্ত্রীর যৌ’না’ঙ্গে মদের বোতল ঢুকিয়ে পাশবিক অ’ত্যা’চারের অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। জানাজানি হতেই অভিযুক্ত স্বামীকে গাছে বেঁধে বে’ধ’ড়’ক মারধর গ্রামবাসীদের।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার দিনভর উত্তপ্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের কমলাবাড়ি ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ঠনঠুনিয়া মোড় এলাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ওই মহিলার স্বামী ও শাশুড়িকে উদ্ধার করে।

আপাতত তাদের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নির্যাতিতা বধূর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মাত্র মাস তিনেক আগে রায়গঞ্জের বড়ুয়া পঞ্চায়েতের গোলইসোরা গ্রামের বাসিন্দা বছর কুড়ির মীরার সঙ্গে বিয়ে হয় ঠনঠুনিয়ার বাসিন্দা অমর বিশ্বাসের। স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি।

শারীরিকভাবে ওই তরুণী তার স্বামীকে সন্তুষ্ট করতে পারে না বলেই অভিযোগ স্বামীর। তার জেরে নববধূকে মানসিক অ’ত্যা’চার করত অমর। মারধরও করত বলেই অভিযোগ। রবিবার লক্ষ্মীপুজোর রাতে ম’দ্য’প স্বামীর শারীরিক নি’র্যা’তনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। ক্রমেই অ’ত্যা’চার পাশবিক পর্যায়ে পৌঁছয় ওই রাতে।

অভিযোগ, রীতিমতো আস্ত কাচের বোতল স্ত্রীর গো’প’না’ঙ্গে ঢুকিয়ে দেয় সে। নববধূর চিৎকার শুনে শ্বশুরবাড়ির কেউই তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেনি বলেও অভিযোগ। গৃহবধূর পরিবারের আরও অভিযোগ, শারীরিক সম্পর্ক তৈরিতে ‘অক্ষম’ স্ত্রীকে আরও অ’ত্যা’চা’র করার পরামর্শ দেয় তার শাশুড়ি।

নি’র্ম’ম অ’ত্যা’চা’রের শি’কা’র গৃহবধূর বাবা সুবল ব্যাপারী বলেন, “আমার মেয়েকে বৃহন্নলাদের সঙ্গে তুলনা করে আমার জামাই। ওই অভিযোগে আমার মেয়েকে খু’ন করার চেষ্টা করেছিল। থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে।”

সোমবার সকালে নি’র্ম’ম অ’ত্যা’চা’রের ঘটনা জানাজানি হতেই প্রতিবেশীরা গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে চড়াও হয়। অভিযুক্ত স্বামী-শাশুড়িকে বেঁধে বে’ধ’ড়’ক মা’রধ’র করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত স্বামী অমর বিশ্বাস ও শাশুড়ি সরস্বতী বিশ্বাসকে জ’খ’ম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে পুলিশ।

আপাতত পুলিশি ঘেরাটোপে অভিযুক্তদের চিকিৎসা চলছে। নি’র্যা’তি’তারও চিকিৎসাধীন। পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন