যশোরে অপহরণের পর কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ

যশোরে ১৫ বছরের এক কিশোরী অপহরণের পর গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতিত কিশোরী যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ঘটনায় আজ শনিবার রাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত মামলা হয়নি। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ চারজনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। তবে ওই কিশোরী ভুয়া নাম ঠিকানা দিয়ে আজ শনিবার দুপুরের পর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

নির্যাতিতা কিশোরীর মা জানান, ‘আমি আজ সন্ধ্যায় আমার বোনের কাছ থেকে জানতে পারি আমার মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি। জানার পর আমি হাসপাতালে এসে দেখি আমার মেয়েকে তারা এমন ভয়ভীতি দিয়েছে যে আমার মেয়ে ভয়ে কিছু বলতে চাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে হাসপাতালে নির্যাতিত কিশোরী বলে, ‘আমি গতকাল (শুক্রবার) রাত সাড়ে ৯টার সময় বকচর থেকে শহরের মনিহার এলাকায় রিকশায় যাচ্ছিলাম মনিরামপুর যাওয়ার জন্য। আমি বকচর র‌্যাব ক্যাম্পের পাশে পৌঁছালে ভাগ্নে হৃদয়, ভাগ্নে মামুন ও আরো চারজন আমাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তারা ৬ জন চাকু ধরে আমার বাড়ির লোকদের গুলি করে মারার ভয় দিয়ে আমার ওপর নির্যাতন চালায়।’

এ ব্যাপারে আজ শনিবার রাতে যশোর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের দায়িত্বরত ডাক্তার শেফালি আক্তার বলেন, হাসপাতালে ভর্তি মেয়েটির আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ ব্যাপারে রাতে যশোর কোতয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনা জানার পর পুলিশ হাসপালে গিয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছে। মেয়েটি মিথ্যা পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনো কোনো অভিযোগ মেয়েটির বা পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। তবে আমাদের অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ পেলে মামলা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, মেয়েটি আজ শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় নিজের ভুয়া নাম ঠিকানা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। মুসকান নামে এক নারী তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে বলে জানা গেছে।